আধুনিক কথ্য বাংলা
Freelance resilienceআধুনিক কথ্য বাংলা

ফ্রিল্যান্স কাজে স্বাধীনতা আছে, কিন্তু অনিয়মিত রোজগার কি ঘুম কেড়ে নিচ্ছে?

এক মাস কাজে ঠাসা, পরের মাসে দুটো বকেয়া বিল আর একটাও পাকা কাজ নেই। ব্যবসার ওঠানামাকে নিজের মূল্যের মাপ না ভেবে, নিজেকে মাইনে দেওয়া, জরুরি তহবিল, কাজের সারি আর টাকা আদায়ের নিয়ম গড়ার কথা।

2026-10-31 7 min · 1,465 words

Direct answer

অনিয়মিত আয় সামলানোর প্রথম ধাপ হল ব্যবসার টাকা আর সংসারের টাকা আলাদা করা। সব আয় একটা ব্যবসার অ্যাকাউন্টে রাখুন, আর সেখান থেকে প্রতি মাসে নিজেকে একটা নির্দিষ্ট মাইনে দিন। ভালো মরসুমে তিন থেকে ছ'মাসের জরুরি খরচ জমান, ফাঁকা মাসেও সপ্তাহে একটা নির্দিষ্ট সময় নতুন কাজ খুঁজুন, আর প্রতিটা কাজে লিখিত চুক্তি, অগ্রিম আর টাকা দেওয়ার তারিখ বেঁধে দিন।

শ্রাবণের দুপুরে ব্যাংকের অ্যাপ

বাগুইআটির দু'কামরার ফ্ল্যাটে জানলার টিনের শেডে একটানা বৃষ্টি পড়ছে। সুমন, একত্রিশ, বিয়ের ছবি তোলেন। গত শীতে, অগ্রহায়ণ থেকে মাঘ, চোদ্দোটা বিয়ে, চারটে বউভাত, রাতে তিন ঘণ্টার বেশি ঘুম হয়নি। আর এখন, শ্রাবণের মাঝামাঝি, ক্যালেন্ডারে নভেম্বরের আগে একটাও পাকা কাজ নেই। ফোনে ব্যাংকের অ্যাপ খুলে তিনি ব্যালান্সটা দেখলেন, তারপর আবার দেখলেন। দুটো বিল এখনও বকেয়া। রাজারহাটের এক ডেকরেটরের একটা রিসেপশনের অ্যালবাম, ফেব্রুয়ারির কাজ, পঁয়ত্রিশ হাজার। আর এক কনের বাড়ির শেষ কিস্তি আঠারো হাজার, তাঁরা বলেছেন পুজোর পরে দেবেন। স্টুডিওর ভাড়া বাকি, ক্যামেরার লেন্সের কিস্তি চলছে। স্ত্রী তনুশ্রী স্কুল থেকে ফিরে জিজ্ঞেস করলেন, এত চুপ কেন? সুমন বললেন, কিছু না, বৃষ্টিতে মাথা ধরেছে।

ফাঁকা ক্যালেন্ডার মানে ফাঁকা আপনি নন

ফ্রিল্যান্স কাজের সবচেয়ে কঠিন দিকটা টাকা নয়, টাকার অভাবটা নিজের গায়ে মেখে নেওয়া। মাসে কাজ কম এলে মন সহজেই বলে, আমার ছবি বোধহয় আর কারও ভালো লাগছে না। অথচ সুমনের ফাঁকা শ্রাবণের পেছনে আছে বিয়ের মরসুমের সোজা হিসাব: এই সময়ে বিয়ে কম হয়। যে ডেকরেটর টাকা আটকে রেখেছেন, সেটা তাঁর নিজের নগদের সমস্যা, সুমনের কাজের মান নিয়ে রায় নয়। ব্যবসার অনিশ্চয়তা আর নিজের মূল্যকে আলাদা করতে পারলে প্রথমেই মাথাটা খানিক পরিষ্কার হয়। তখন প্রশ্নটা 'আমি কি ভালো না' থেকে বদলে হয় 'এই ওঠানামা সামলানোর ব্যবস্থা কী'। দ্বিতীয় প্রশ্নটার উত্তর আছে।

নিজেকে মাইনে দিন

অনিয়মিত আয়কে নিয়মে বাঁধার সবচেয়ে কাজের কৌশল হল দুটো আলাদা অ্যাকাউন্ট। সব আয়, অগ্রিম থেকে শেষ কিস্তি, জমা হবে ব্যবসার অ্যাকাউন্টে। সেখান থেকে প্রতি মাসের একটা নির্দিষ্ট তারিখে একটা নির্দিষ্ট অঙ্ক যাবে সংসারের অ্যাকাউন্টে, যেন আপনি নিজেই নিজের মালিক। অঙ্কটা ঠিক করবেন বছরের হিসাব দেখে, সবচেয়ে ভালো মাস দেখে নয়। ধরা যাক, গত বারো মাসে ব্যবসার খরচ বাদ দিয়ে হাতে এসেছে ছ'লাখ টাকা। তাহলে মাসে পঞ্চাশ হাজারের কাছাকাছি, কিন্তু সাবধানে শুরু করতে চাইলে চল্লিশ হাজার দিয়ে। ভালো মাসে বাড়তি টাকা ব্যবসার অ্যাকাউন্টে জমে থাকবে, ফাঁকা মাসে সেখান থেকেই মাইনে আসবে। সংসার তখন আর বিয়ের মরসুমের সঙ্গে ওঠানামা করে না।

জরুরি তহবিলের অঙ্ক

নিজেকে মাইনে দেওয়ার ব্যবস্থা তখনই টেকে, যখন পেছনে একটা তহবিল থাকে। নিচের অঙ্কটা একটা উদাহরণ; নিজের সংখ্যা বসিয়ে কষে দেখুন।

কীউদাহরণের অঙ্ককীভাবে ভাববেন
সংসারের মাসিক জরুরি খরচ₹৩৫,০০০ভাড়া, খাবার, ওষুধ, বিদ্যুৎ, কিস্তি; শখের খরচ বাদ
ব্যবসার মাসিক স্থায়ী খরচ₹১২,০০০স্টুডিওর ভাড়া, সরঞ্জামের কিস্তি, সফটওয়্যার
মোট মাসিক প্রয়োজন₹৪৭,০০০কাজ না এলেও যে টাকাটা লাগবেই
চার মাসের তহবিল₹১,৮৮,০০০বর্ষার ফাঁকা মাসগুলো পেরোনোর মতো
ভালো মরসুমে প্রতিটা আয় থেকেআগে একটা অংশ সরানতহবিল আর আয়করের জন্য; কত অংশ, হিসাবরক্ষকের সঙ্গে ঠিক করুন

কাজের সারি কখনও শুকোতে দেবেন না

ফ্রিল্যান্সারদের একটা চেনা ভুল হল, ব্যস্ত মরসুমে নতুন কাজ খোঁজা পুরো বন্ধ করে দেওয়া, আর ফাঁকা মাসে আতঙ্কে খুঁজতে নামা। তার চেয়ে সারা বছর সপ্তাহে এক ঘণ্টা নতুন কাজের জন্য রাখুন। একটা সাধারণ খাতা বা স্প্রেডশিটে চারটে ঘর: কার সঙ্গে কথা শুরু হল, কাকে দর পাঠালাম, কে ভাবছেন, কে পাকা করলেন। আর নিজের ফাঁকা মরসুমের জন্য আলাদা কাজ ভাবুন।

  • বিয়ের আগের ছবি আর অন্নপ্রাশন বা জন্মদিনের ছোট অনুষ্ঠান, যেগুলো বর্ষাতেও হয়।
  • পাড়ার ছোট ব্যবসার জিনিসপত্রের ছবি, যাঁরা অনলাইনে বিক্রি করতে চান।
  • অফিসের অনুষ্ঠান বা সম্মেলনের ছবি, যাদের ক্যালেন্ডার বিয়ের মরসুম মানে না।
  • সপ্তাহান্তে নতুনদের জন্য ছবি তোলার ছোট কর্মশালা।
  • পুরনো খদ্দেরদের একটা ছোট মেসেজ: প্রথম বিবাহবার্ষিকী বা পুজোর আগে পারিবারিক ছবির প্রস্তাব।

টাকা আদায়ের নিয়ম, আগে থেকে লেখা

বকেয়া বিলের বেশিরভাগ ঝামেলা শুরু হয় কাজ শুরুর আগে, যখন সব কথা মুখে মুখে হয়। প্রতিটা কাজে একটা সহজ লিখিত চুক্তি রাখুন: কী কী দেবেন, কবে দেবেন, মোট দাম কত, কত অগ্রিম, বাকিটা কবে। তারিখ বুক করার জন্য একটা অংশ অগ্রিম নিন, আর চূড়ান্ত অ্যালবাম বা পুরো মানের ফাইল হাতে দিন শেষ কিস্তি পাওয়ার পরে। বিলে দেওয়ার শেষ তারিখ স্পষ্ট লিখুন। তারিখ পেরোলে মনে করানোর একটা ক্রম ঠিক রাখুন: পরের দিন একটা ভদ্র মেসেজ, এক সপ্তাহ পরে ফোন, দু'সপ্তাহ পরে লিখিত মনে করানো, আর তারপর সেই খদ্দেরের নতুন কাজ বন্ধ। নিজের টাকা চাওয়ায় কোনো লজ্জা নেই; আপনি উপকার চাইছেন না, পাওনা চাইছেন।

যে মাসে কাজ কম, সে মাসে আমি কম নই। ব্যবসার খাতা আর নিজের দাম আলাদা খাতায় লিখি।

পাঁচ মাসের পুরনো বকেয়া

সুমনের ডেকরেটরের বিলের মতো অনেকদিনের বকেয়ার ক্ষেত্রে আবেগ নয়, একটা পরিষ্কার পথ ধরুন। আগে একবার ফোন করে জিজ্ঞেস করুন, পুরোটা একবারে না হলে কিস্তিতে কবে কবে দিতে পারবেন। যা ঠিক হল, সঙ্গে সঙ্গে মেসেজে বা মেলে লিখে পাঠান, যাতে প্রমাণ থাকে। কিস্তি না এলে একটা লিখিত চূড়ান্ত তারিখ দিন। তারপরেও টাকা না এলে একজন আইনজীবী বা হিসাবরক্ষকের সঙ্গে কথা বলে দেখুন কী আইনি পথ খোলা আছে; আপনার ব্যবসা যদি ক্ষুদ্র উদ্যোগ হিসেবে নথিভুক্ত থাকে, সেই সূত্রে বকেয়া আদায়ের কোনো সরকারি ব্যবস্থা আছে কি না, সেটাও জেনে নিন। আর সেই খদ্দেরের সঙ্গে নতুন কাজের আগে পুরো অগ্রিম।

সংসারে কথাটা খুলে বলুন

সুমনের মতো অনেকে দুশ্চিন্তা ঘরে আনতে চান না, মাথাব্যথার অজুহাতে চুপ করে থাকেন। কিন্তু না-বলা দুশ্চিন্তা ঘরে এমনিই ঢোকে, খিটখিটে মেজাজ আর রাতজাগা হয়ে। জীবনসঙ্গীর সঙ্গে মাসে একদিন বসে সংখ্যাগুলো ভাগ করে নিন: কত বকেয়া, তহবিলে কত, সামনের তিন মাসে কী কী পাকা। যখন দুজনেই জানেন যে প্রতি মাসের এক তারিখে সংসারের অ্যাকাউন্টে একটা নির্দিষ্ট টাকা আসবে, তখন বর্ষার ফাঁকা ক্যালেন্ডার আর সংসারের আতঙ্ক হয়ে ওঠে না, শুধু ব্যবসার একটা পরিকল্পনার বিষয় থাকে।

রাতের অঙ্ক যখন থামে না

অনেক ফ্রিল্যান্সার রাতে শুয়ে শুয়ে মাথায় অঙ্ক কষেন, আর ঘুম আসে না। দিনের একটা নির্দিষ্ট সময়ে আধঘণ্টা টাকার হিসাব আর দুশ্চিন্তার জন্য রাখুন, খাতায় লিখে; রাতে মাথায় অঙ্ক এলে নিজেকে বলুন, কাল বিকেল চারটেয় দেখব। কাজে না দিলে, আর সপ্তাহের পর সপ্তাহ ঘুম, খিদে বা কাজের ইচ্ছে চলে যেতে থাকলে একজন ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলুন। মন খুব ভারী লাগলে Tele-MANAS-এর 14416 নম্বরে ফোন করে কারও সঙ্গে কথা বলতে পারেন, দিনরাত, বিনা খরচে, বাংলায়। বিপদের মুহূর্তে 112।

ভালো মাস কবে আসবে, গ্রহ দেখে?

টাকার টানাটানিতে কেউ কেউ জানতে চান, কোন মাসে কাজ বাড়বে, কবে বকেয়া টাকা আসবে। কোনো গ্রহ বকেয়া আদায় করে দেয় না, আর টাকাপয়সার সিদ্ধান্ত বা লগ্নির সময় গ্রহ দেখে ঠিক করা উচিত নয়। যে কেউ এই সময়ে ভয় দেখিয়ে প্রতিকার বেচতে চায়, তার থেকে দূরে থাকুন; ভয় দেখানো জ্যোতিষ বার্তার লক্ষণগুলো চিনে রাখুন। বিংশোত্তরী দশার কোন পর্ব চলছে জেনে কেউ কেউ নিজের কাজের জীবনের এই পর্যায়টাকে একটু ধৈর্য নিয়ে দেখতে পারেন, এইটুকুই। ক্যারিয়ার ও জ্যোতিষের পাতায় সেই ভাবনার জায়গাটা আছে। Astro Ratan রত্ন বা পুজো বিক্রি করে না, মিনিট ধরে টাকাও কাটে না।

ভাদ্রের শেষে সুমনের খাতা

সুমন সেই রাতেই তনুশ্রীকে সব বলেছিলেন। পরের সপ্তাহে ব্যাংকে গিয়ে একটা আলাদা সঞ্চয়ের অ্যাকাউন্ট খুললেন, নিজের মনে নাম দিলেন 'শ্রাবণ'। ডেকরেটরকে ফোন করে কিস্তির কথা বললেন, মেসেজে লিখে পাঠালেন; ভাদ্রের শেষে অর্ধেক টাকা এল। বাগুইআটির পাড়ার দুটো শাড়ির দোকানের অনলাইন বিক্রির ছবি তুলে দিলেন, আর পুরনো খদ্দেরদের পুজোর আগে পারিবারিক ছবির প্রস্তাব পাঠালেন; ছ'টা পরিবার রাজি হয়েছে। নভেম্বরের আগে বিয়ে এখনও নেই। কিন্তু তাঁর খাতায় এখন লেখা আছে সামনের শ্রাবণে কত টাকা লাগবে, আর সেটা কোন কোন মাসে জমবে।

Key takeaways

  • ফাঁকা ক্যালেন্ডার ব্যবসার মরসুমের কথা বলে, আপনার প্রতিভার রায় নয়; দুটোকে আলাদা করে দেখুন।
  • সব আয় একটা ব্যবসার অ্যাকাউন্টে রেখে প্রতি মাসে নিজেকে নির্দিষ্ট মাইনে দিলে সংসার অনেক বেশি স্থির থাকে।
  • ভালো মরসুমের প্রতিটা আয়ের একটা অংশ আগে জরুরি তহবিল আর করের জন্য সরিয়ে রাখুন, তারপর খরচ।
  • ব্যস্ত মাসেও সপ্তাহে এক ঘণ্টা নতুন কাজ খোঁজায় দিন; কাজের সারি শুকিয়ে গেলে তবে খুঁজতে নামা বড্ড দেরি।
  • লিখিত চুক্তি, অগ্রিম, আর টাকা না পেলে চূড়ান্ত কাজ হাতে না দেওয়া, এই তিনটে নিয়ম বকেয়ার ঝুঁকি অনেক কমায়।

যে ফ্রিল্যান্সার বন্ধু শীতে দম ফেলার সময় পায় না আর বর্ষায় রাতভর ব্যাংকের অ্যাপ দেখে, তাকে পাঠান: নিজেকে মাইনে দেওয়া থেকে বকেয়া আদায় পর্যন্ত একটা হাতে-কলমে ব্যবস্থা।

স্বাধীন কাজের এই ওঠানামার পর্বটা নিজের জন্মছকের কোন দশায় পড়ছে, ভয় না পেয়ে শান্তভাবে বুঝতে চাইলে Astro Ratan-কে বাংলায় লিখুন।

FAQ

দর বাড়ালে খদ্দের চলে যাবেন, এই ভয়ে কম দামে কাজ করি; ঠিক করছি?

কম দামে বেশি কাজ নিলে ব্যস্ত মাসেও তহবিল জমে না, আর ক্লান্তি বাড়ে। বছরে একবার নিজের খরচ আর সময়ের হিসাব করে দর ঠিক করুন, আর নতুন খদ্দেরদের জন্য নতুন দর চালু করুন। কিছু খদ্দের চলে যেতে পারেন, কিন্তু যাঁরা থাকেন তাঁরা সাধারণত আপনার কাজের দামটা বোঝেন।

অগ্রিম চাইলে খদ্দের কি অবিশ্বাস ভাববেন?

বেশিরভাগ পেশাদার খদ্দের অগ্রিমকে স্বাভাবিক নিয়ম হিসেবেই দেখেন, বিশেষ করে যখন সেটা একটা নির্দিষ্ট তারিখ আটকে রাখার জন্য। চুক্তিতে কারণটা লিখে দিন: এই দিনটা আপনার জন্য রাখা হল, অন্য কাজ নেওয়া হবে না। যিনি কোনো অগ্রিমেই রাজি নন, তাঁর ক্ষেত্রেই বকেয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি।

ফ্রিল্যান্স ছেড়ে আবার মাসমাইনের চাকরিতে ফেরা কি হার মানা?

একেবারেই না। কারও কাছে জীবনের একটা পর্যায়ে স্থির আয় বেশি জরুরি, আর সেটা বেছে নেওয়া বুদ্ধির কাজ। অনেকে চাকরির পাশাপাশি অল্প কিছু স্বাধীন কাজও রাখেন, তাতে দুটো দিকই খোলা থাকে।

স্বাস্থ্যবিমা বা অবসরের সঞ্চয় নিয়ে কী ভাবব, অফিস তো দেবে না?

ঠিকই, ফ্রিল্যান্সারকে এগুলো নিজেই ভাবতে হয়, তাই নিজের মাইনের হিসাবে এগুলোর জন্য একটা নির্দিষ্ট অংশ রাখুন। কোন বিমা বা সঞ্চয় প্রকল্প আপনার জন্য উপযুক্ত, তা একজন যোগ্য আর্থিক পরামর্শদাতার সঙ্গে কথা বলে ঠিক করুন। এই লেখা শুধু সাধারণ ধারণা দেয়, ব্যক্তিগত আর্থিক পরামর্শ নয়।